27Please respect copyright.PENANASa2Hxuu8bZরাজকুমার গিয়ে একটি চিঠি দেয় চিঠিতে লেখা থাকে, মাননীয় রাজা, আমি চাই যে আমার ছেলেসহ সবাইকে সৈন্য প্রশিক্ষণ পাঠশালায় ভর্তি করেন। তারপর রাজা তাদেরকে ভর্তি করলেন তারপর আরিয়ান তার জিনিসপত্র গুছিয়ে গোসল করার কিছুক্ষণ পর একজন সৈন্য এসে বলে যে রাজা মশাই তাকে ডাকছেন রাজপ্রাসাদে যাওয়ার জন্য। তারপর সে সৈনিক এর সাথে রাজপ্রাসাদে যায়। আরিয়ান রাজার রুমে গিয়ে রাজাকে বলে আসসালামু আলাইকুম মাননীয় চাচা। রাজা বলেন ওয়ালাইকুম আসসালাম। রাজা বলেন রাজার পরিবারের সবাইকে ডেকে আনতে সৈনিক সবাইকে দেখে আনে। সবাই আসেন। সবাই এসে রাজাকে জিজ্ঞেস করেন যে আমাদেরকে ডাকলেন কেন? কোন দরকার? আরিয়ান আওয়াজ শুনে পিছে ঘুরে তাকায়। তারপর রাজা সবাইকে বলেন যে এর নাম আরিয়ান। এ আমার ছোট ভাই এর ছেলে। সে রানী মানে তার চাচীর কাছে গিয়ে আসসালামু আলাইকুম চাচী। তিনি বলেন, ওয়ালাইকুম আসসালাম। মাশাল্লাহ অনেক বড় হয়ে গেছো। এতটুকু দেখেছিলাম তারপর আরিয়ান রাজার মেজো ছেলের কাছে গিয়ে বলে, আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া, আপনে রাফি ভাইয়া না? রাজকুমার বলে, ওয়ালাইকুম আসসালাম। হ্যাঁ, আমি রাফি। আরিয়ান বলে, বাবা সাফি ভাই আর আপনার কথা বলেছেন। আচ্ছা সাফি ভাই কই? রাজকুমার রাফি বলেন, ভাইয়া তো অন্য এক রাজ্যে গেছেন কিছু দরকারে। রানী বলেন, আচ্ছা তোমার বাড়ির সবাই কেমন আছে?27Please respect copyright.PENANAqgiOlAukxQ
27Please respect copyright.PENANADUYEneBjVt
আরিয়ান: আলহামদুলিল্লাহ চাচী সবাই ভালো আছে। রাণী: তোমার বোন কেমন আছে? শুনলাম, তার বিয়ে হয়ে গেছে। 27Please respect copyright.PENANADOOu36kflH
27Please respect copyright.PENANAUag9utxMI3
আরিয়ান: হ্যাঁ, আপুর বিয়ে হয়ে গেছে আর উনি ভালো আছেন। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত, আপনাদেরকে দাওয়াত দিতে পারিনি। 27Please respect copyright.PENANAwu3N8MVenh
27Please respect copyright.PENANAs8XHWLHxL1
রাজা: আরিয়ান, তুমি চাইলে রাজপ্রাসাদে. থাকতে পারো।27Please respect copyright.PENANAATsM6qtdsy
27Please respect copyright.PENANAZ5XB0v45xa
রাণী: ও আর কোথায় যাবে? ও আমাদের এখানেই থাকবে। 27Please respect copyright.PENANAk2YzcaqFeu
27Please respect copyright.PENANAiVG3aQtDw9
আরিয়ান: ক্ষমা করবেন, মাননীয় চাচী, কিন্তু আমি এখানে থাকতে পারবো না। 27Please respect copyright.PENANAFzKZZex3XW
27Please respect copyright.PENANAZcBCFRcAOB
রাণী: কেন থাকতে পারবে না? 27Please respect copyright.PENANAYyU3ASQ7LA
27Please respect copyright.PENANAMu9rn0ABqm
আরিয়ান: আমি চাই অন্য ছাত্রদের মতো তাদের সাথে থাকতে চাই। আর একটা নতুন অভিজ্ঞতাও হয়ে যাবে। 27Please respect copyright.PENANAACRRknFphh
27Please respect copyright.PENANAGfhKKuBLlc
রাজা: তুমি হলে এই রাজ্যের রাজকুমার, আরিয়ান। তোমার অন্য ছাত্রদের মতো কষ্টের জায়গায় থাকার কী দরকার? আমাদের সাথেই প্রাসাদে থাকো।27Please respect copyright.PENANARObiOLHzrZ
27Please respect copyright.PENANAf04n7RJPYF
আরিয়ান: ক্ষমা করবেন চাচা। কিন্তু আমি যদি রাজকীয় আরামের মধ্যে বড় হই, তবে আমার রাজ্যের সাধারণ সৈন্যদের দুঃখ-কষ্ট কোনোদিন বুঝতে পারব না। আমি একজন রাজকুমার হিসেবে নয়, একজন যোদ্ধা হিসেবে নিজেকে গড়তে চাই।27Please respect copyright.PENANASXvGhidMzp
27Please respect copyright.PENANA7bMn9L9KxU
রাণী: বাহ! বাহ! তোমার বাবা ঠিকই বলেছিলেন, তোমার চিন্তাধারা সাধারণের চেয়ে অনেক উপরে।27Please respect copyright.PENANA4jEKNUFj2R
27Please respect copyright.PENANAlGHrgR5eqp
আরিয়ান: ধন্যবাদ, চাচী। 27Please respect copyright.PENANAUqfsYJ2B5z
27Please respect copyright.PENANAdOIMjtzNa5
রাজা: আচ্ছা, একটা শর্ত আছে। তোমায় প্রতিদিন একবার এখানে আসতে হবে। 27Please respect copyright.PENANAqXHRAuQTBu
27Please respect copyright.PENANAJcrN9RXXe5
আরিয়ান: তাহলে আমি আজকে আসি চাচা। 27Please respect copyright.PENANAKeSzRBKmH9
27Please respect copyright.PENANAcUElLFe0FT
রাজা:হুম27Please respect copyright.PENANA3WeC8efdnG
27Please respect copyright.PENANAJqgMbGF2AB
আরিয়ান: সবাইকে আসসালামুয়ালাইকুম27Please respect copyright.PENANATIXmzQI55E
27Please respect copyright.PENANAkiBHO86dAx
বলে আরিয়ান চলে যায়। আর রাজকুমারী মেহেরিন আরিয়ানের প্রেমে পড়ে যায়। তার পরের দিন সকালে সকল ছাত্রদেরকে একত্রিত করলেন সৈন্যরা। বলেন, "তোমাদেরকে আলাদা আলাদা টিমে ভাগ করে দেওয়া হবে। আর প্রতি টিমে একজন উঁচু রেনকে কমান্ডার দেওয়া হবে।" তো সৈন্যরা সবাইকে বারোটি টিমে ভাগ করে দেওয়া হলো। আমাদের আরিয়ান এ টিমে ছিল রাজকুমারী, জাফর। রাজকুমারী নীলা আর রাজকুমারের বন্ধুরা। তাদের টিমে মোট ছয়জন মানুষ। তাদের টিমের নাম ছিল টিম নয়। আরিয়ান খুব খুশি ছিল কারণ তার টিমে ছিল রাজকুমারী নীলা। তারপর সৈন্য বলেন যে যার Team mate সাথে আলাপ করে নাও। আর কালকে থেকে তোমাদের training শুরু হবে আর তোমাদের trainer দেওয়া হবে। এসব বলে সৈন্যরা চলে যায়। আরিয়ান তার teammate-দের কাছে যায় এবং গিয়ে সবাইকে সালাম দেয়। কিন্তু সবাই তাকে পাত্তা না দিয়ে চলে যায়। আরিয়ানের মন খারাপ হয়ে যায়। তারপর সবাই তাদের ঘরে চলে যায়। তারপর রাজার কথামত আরিয়ান রাজমহলে যায় তাদের সাথে দেখা করতে। সে গিয়ে সবাইকে সালাম দেয়। তারপর রাজা সালামের উত্তর দিয়ে আরিয়ানকে বলেন, "তুমি রাজকুমারী মেহেরিনের সাথে রাজধানী ঘুরে দেখো।" রাজকুমারী মেহেরিন বলেন, চলো আরিয়ান আমার সাথে। আরিয়ান বলে, হ্যাঁ, চলো। তারপর আরিয়ান রাজকুমারীর সাথে রাজধানী দেখে। পরের দিন সকালে আবার সবাই এক হয়। হওয়ার পর সবাইকে তাদের ট্রেনার দেওয়া হয়। আরিয়ানদের টিমে মানে টিম নয় এ আসেন ট্রেনার হিসেবে হৃদয় নামের একজন শক্তিশালী সৈন্য আইয়ান সহ তার টিমের সবাই তাদের ট্রেইনারকে সালাম দেয়। হৃদয় সবার সালামের উত্তর দিয়ে সবাইকে বলে তোমাদের ট্রেনিং শুরু হবে এখন। তোমাদের এখানে থাকার প্রয়োজন নেই। তোমরা আমার পিছনে আসো বলে সবাইকে একটি সুন্দর প্রাকৃতিক জায়গায় নিয়ে যায় যেখানে কোনো আওয়াজ নেই। তারপর তাদের ট্রেনার রিদয় বলেন, "তোমরা সবাই এক লাইনে দাঁড়াও।" তারপর তিনি একেকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার নাম কি এবং তোমার স্বপ্ন কি?" প্রথমে জিজ্ঞেস করলেন রাজকুমারী নীলাকে। সে বলল, "আমার নাম নীলা এবং আমার স্বপ্ন, আমি অনেক শক্তিশালী সৈনিক হতে চাই।" তারপর জিজ্ঞেস করলেন রাজকুমার জাফর এর বন্ধু হোসাইনকে। সে বলল আমার নাম হুসাইন আর আমি অনেক শক্তিশালী হতে চাই। তারপর জিজ্ঞেস করা হয় জাফরকে। সে বলল, আমার নাম জাফর এবং আমি অনেক শক্তিশালী হতে চাই। আর আমার বাবার মতো আমিও আমার রাজ্য শাসন করতে চাই। 27Please respect copyright.PENANAifJnAF0iBp
27Please respect copyright.PENANAo9KVWrRTgg
তারপর জিজ্ঞেস করলেন রাজকুমার জাফরের দ্বিতীয় বন্ধু কামরুলকে। সে বলল, আমার নাম কামরুল, এবং আমিও একজন শক্তিশালী সৈন্য হতে চাই। তারপর রাজকুমার জাফরের তৃতীয় বন্ধু শাহজাহানকে জিজ্ঞেস করেন। সে বলে, আমিও অনেক শক্তিশালী সৈন্য এবং অনেক বিদ্যা শিখে, আমি আমার রাজ্যের সেনাপতি হতে চাই। তারপর হৃদয় আরিয়ানকে জিজ্ঞেস করলো। আরিয়ান বলে, আমি এমন এক পৃথিবী গড়তে চাই যেখানে তলোয়ারের ঝনঝনানি নয়, বরং মানুষের হাসির শব্দ শোনা যাবে। আমি এই পৃথিবী থেকে রক্তপাত আর ঘৃণা মুছে দিতে চাই।27Please respect copyright.PENANAIa89sXPFuo
27Please respect copyright.PENANA1r6noZtjZt
27Please respect copyright.PENANALhgOFb4ckW
তার এ কথা শুনে সবাই তার উপর হাসলো। জফর বললো তাহলে তুমি ভুল জায়গায় এসেছ ভীতু রাজকুমার! এটা যুদ্ধের ময়দান, কবিতার আসর নয়।27Please respect copyright.PENANAZXLx2jbW6y
27Please respect copyright.PENANARt449lUKS6
27Please respect copyright.PENANAIukomgwvtm
আরিয়ান বলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য কখনো কখনো সবচাইতে বড় যোদ্ধা হতে হয়, জাফর। আমি সেই যোদ্ধা হতে চাই যে যুদ্ধ থামানোর শক্তি রাখে।27Please respect copyright.PENANACBf9S9p1aP
তারপর তার এ কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে যায়। তারপর তার trainer হৃদয় বলে আচ্ছা ঠিক আছে সবাই সবার ব্যাপারে জেনে গেছি। এখন আমরা training শুরু করব তো তারপর হৃদয় বলে, "তোমাদের সবাইকে এক মাস training দেওয়া হবে। এক মাসের মধ্যে যা কিছু শিখানি হবে সবই তোমাদেরকে শিখতে হবে ভালো মতো। তারপর এক মাস পরে তোমাদের সবার মধ্যে একটি competition বা পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেখানে যে পাস করবে তাকে হাই র্যাঙ্ক বা উঁচু র্যাংকে নেওয়া হবে। তারপর তাই সেই অনুযায়ী সবাইকে এক একটা মিশন দেওয়া হবে। তোমাদেরকে মিশন পালন করতে হবে।" তারপর সবাইকে training দেওয়া শুরু হলো। ধীরে ধীরে training দেওয়া হচ্ছে। দিনের পর দিন দেওয়া হচ্ছে। তারপর অবশেষে আসলো পনেরো দিন পর, পনেরো দিন পর তার teacher সবার সাথে সবাইকে fight করিয়ে তারা কতটুকু উন্নতি করছে তা দেখার জন্য তাদের মধ্যে একটি fight ঘোষণা করা হলো। তো আরিয়ান আর জাফর তারা দুজন বিরোধী দল হিসেবে ঘোষিত হলোতারপর তাদের দুজনের মধ্যে fight শুরু হলো।27Please respect copyright.PENANAuQdb4X9uYf
"লড়াইয়ের ঘন্টা বাজতেই জাফর বিদ্যুতের গতিতে আক্রমণ করল। আরিয়ান তখনো মানসিকভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিল না। জাফরের তলোয়ারের প্রথম আঘাতেই আরিয়ানের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেল। জাফর তার তলোয়ারের উল্টো পিঠ দিয়ে আরিয়ানের বুকে প্রচণ্ড এক আঘাত করল। ধুলোর মধ্যে ছিটকে পড়ল আরিয়ান। জাফর তার তলোয়ার আরিয়ানের গলায় ঠেকিয়ে নিষ্ঠুরভাবে হাসল।"27Please respect copyright.PENANAes6oMZeIMU
27Please respect copyright.PENANAgB3925x4ap
27Please respect copyright.PENANAjWPGr77Rhd
হৃদয় বলল যে আরিয়ান, মনে রেখো—এই পৃথিবী কেবল শক্তিশালীদের। দয়া বা করুণা এখানে দুর্বলতার লক্ষণ। আজ জাফর তোমাকে ছেড়ে দিলেও, সত্যিকারের শত্রু তোমার কলিজা ছিঁড়ে ফেলবে। নিজেকে বদলাও, নয়তো বিলীন হয়ে যাও।27Please respect copyright.PENANA0OLbhtxFlp
তারপর আরিয়ান বলে, হ্যাঁ Commander, বুঝতে পারছি। তারপর হৃদয় বলেন, আচ্ছা, ঠিক আছে, আজকের মতো আমাদের শেষ। কালকে থেকে আবার training দেওয়া হবে আর সবাই মনোযোগ দিয়ে training নেবে। ঠিক আছে? তাহলে চলো এবার যাওয়া যাক বাড়িতে। তারপট এই বলে সবাই চলে যেতে লাগলো আর রাজকুমারী নীলা এবং রাজকুমার জাফর ও তারা বন্ধুরা মিলে আরিয়ানের উপর হাসাহাসি করল। বলল যে ও একটা loser। ও একটা কাজ ঠিকমতো করতে পারে না। ও ট্রেনিং আর ট্রেনিং করতে পারে না। গরিব ভিখারি। এসব বলে তার উপর সবাই হাসতে লাগলো, কিন্তু আরিয়ান এমনভাবে হাসতে লাগলো যে ওর কোন যায় আসে না কে তাকে কি বললো? ও এইরকম ছিল। ও খুব হাসিখুশি, সবার সাথে খুব মজা করতো, । তারপর কয়েকদিন পর পঁচিশ দিন হলো তারপর রাজা মশাই জানতে পারেন যে তার ছোট ভাই মানে আরিয়ানের বাবা রাজধানী দখলের চিন্তায় আছে। এই কুবুদ্ধিটা তার মাথায় তার মন্ত্রী ঢুকায়। তারপর রাজা এসব শুনে একটি সাবধানের চিঠি দিলেন তার ছোট ভাইকে। ছোট ভাই তুমি এইরকম করো না। নয়তো আমি তোমার উপর আক্রমণ চালাতে বাধ্য হবো। তুমি রাজধানী দহলের চিন্তা ছেড়ে দাও। নয়তো আমি তোমার উপর আক্রমণ চালাতে বাধ্য হবো। কিন্তু শয়তান মন্ত্রী সেই চিঠি পাল্টে সেখানে লিখে দেয় যে, ছোট ভাই আমি তোমার ছেলে আরিয়ানকে বন্দী বানিয়ে রেখেছি। তুমি যদি তোমার ছেলেকে বাঁচাতে চাও তাহলে তুমি তোমার রাজ্য ছেড়ে চলে যাও। ছোট রাজা এই চিঠি দেখে তাড়াতাড়ি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে এগোতে লাগলো তার বড় ভাই মানে রাজধানীর দিকে তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য। তারপর সে মাঝ রাস্তায় বসে একটি চিঠি লিখে একটা পাখির মাধ্যমে তার ছেলের কাছে পৌঁছে দেয়। সেই চিঠিতে লেখা ছিল যে আরিয়ান, তুমি যত সম্ভব তাড়াতাড়ি সেখান থেকে পালিয়ে রাজ্যের দিকে ফিরে আসো। আরিয়ান চিঠি পড়েই কিছু না ভেবে চিন্তে বেরিয়ে গেল তার রাজ্যের উদ্দেশ্যে। মাঝ রাস্তায় সে রাজকুমারী নীলাকে দেখল। সে ভাবল যে আর ওর সাথে দেখা হবে কি না, না সে জানে না। তাই সে তার মনের কথা বলে দিল। বলল যে ও তাকে পছন্দ করে। আর শয়তান মন্ত্রী নীলা সহ সব ছাত্র এবং মহিলাদেরকে আগে থেকেই বলে রেখেছে যে রাজকুমার আরিয়ানকে যাতে শহরের বাইরে কোথাও যেতে না দেয়। ও যদি যাওয়ার চেষ্টা করে তাহলে ওকে ধরে জেলে বন্দী করতে রাজকুমারী তার কথা শুনে রাজি হয়ে যায়। বলে যে আমাকেও তোমার সাথে নিয়ে যাও। তারপর রাজকুমার আরিয়ান এটা শুনে তো অনেক অবাক হয়ে যায়। হওয়ার পর ও বলে আসো তাহলে চলো। আর ওর অনেক মনে মনে খুশি ছিল। তারপর ও ওর ঘোড়ার উপরে বসে তারা দুজন রওনা দেয় তার রাজ্যের দিকে তারপর ও ঘোড়া চালিয়ে যেতে থাকলো। তারপর শেষ পর্যন্ত সে গিয়ে জঙ্গলে পৌঁছালো আর রাজ্যে খবর চলে গেল যে রাজকুমা আরিয়ান পালাচ্ছে তার রাজ্যে। তারপর মন্ত্রী গিয়ে রাজার কানে বলে যে, দেখেছেন রাজা মশাই, ও রাজকুমারকে এখান থেকে পালানোর জন্য বলেছে যাতে আপনার উপর ও আক্রমণ করতে পারে আর যাতে ওর ছেলেকে আপনি কিছু না করতে পারেন। এইজন্যই এসব করছে। রাজা এসব শুনে অনেক রাগ করলেন। তারপর তিনি সবাইকে ডেকে বললেন যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তোমরা রাজকুমার আরিয়ানকে ধরে নিয়ে আসো। যেখান থেকে পারো সেখান থেকে ধরে নিয়ে আসো। সেটা শুনে সবাই চলে গেল আরিয়ানকে ধরতে। তারপর মাঝ রাস্তায় যখন তারা জঙ্গলে পৌঁছালো আরিয়ান এবং নীলা তারপর নীলা তাকে দুখা দিল। নীলা তাকে সেইখান থেকে ফেলে দিল আর গুরা চলে গেল। গুরা থেকে ফেলে দেওয়ার পর গুরা আপনি আপনি চলে গেল। তারপর ঘোড়া থেকে পড়ার পর আরিয়ানের মাথা গিয়ে লেগে যায় একটা পাথরের মধ্যে আর সে অজ্ঞান হয়ে যায়। আর রাজকুমারী নীলা তাকে কাঁধে করে নিয়ে এগোচ্ছিল রাজধানীর দিকে। তারপর আধা রাস্তায় সব সৈন্যরা এসে যায়। তারপর দেখে রাজকুমারী নীলা ওর সাথে ছিল। তো তারপর তাদের দুজনকেও বন্দী করে নেয় রাজা অন্যদিকে ছোট রাজা এসে যায় রাজধানীর মধ্যে তার সৈন্য কয়েকজন নিয়ে। আসার পর ছোট রাজার উপর আক্রমণ করে বড় রাজার কিছু সৈন্যরা। গিয়ে অনেক যুদ্ধ হয়। ছোট রাজা অনেক সৈন্যকে মেরে ফেলে একা। তারপর দেখা যায় অনেক মারার পর রাজা অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। তখন পিছেতে পিছ থেকে রাজকুমার জাফর এসে তার কাঁধ থেকে গলা আলাদা করে দেয় তারপর রাজকুমারী ইয়াসমিন আরিয়ানের বোন। এসব শুনে সে তার রাজ্যে ফিরে যাওয়ার পথে বড় রাজার সৈনিকরা তার গলা কাঁধ থেকে আলাদা করে দেয় এবং রাজকুমারী ইয়াসমিনের গর্ভে সন্তান ছিল। সেই সন্তানসহ রাজকুমারী ইয়াসমিনের গলা দেহ থেকে আলাদা করে ফেলা দেওয়া হয়। তারপর তারা চলে আসে। বড় রাজার সৈন্যরা তারা চলে আসে।আসলে, তাদের এখানে একটি নিয়ম রয়েছে যে, যদি কোন রাজা পরাজিত হয় তাহলে সেই রাজার মুন্ডু এবং তার পুরো ফ্যামিলির মুন্ডু কেটে একটি বক্সের মধ্যে ভরে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। তো রাজা সবাইকে ঘোষণা করে যে আগামীকালকে রাজকুমার আরিয়ানের বিচার এবং তার ফ্যামিলির মুন্ডু বক্সে ভরে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। তাই রাজ্যের সবাই উপস্থিত থাকার ঘোষণা করেন তারপর আরিয়ানের মা তার রাজ্যে এসব শুনে রোয়ানা দে বড় রাজার রাজ্যের দিকে, মানে রাজধানীর দিকে। তারপর ও আসতে আসতে সকাল হয়ে গেল, আর আরিয়ান এখনো জেলের মধ্যে অজ্ঞান পড়ে রইল। হঠাৎ আরিয়ানের জ্ঞান ফিরল। ফেরার পর ওর বাবার সাথে খুশির স্মৃতিগুলো মনে পড়ল। পড়ার পর ও মনে মনে ভাবে, বাবা, এখন আমার তোমার কতা এতো মনে পড়ছে কেন? তারপর একটি সৈনিক এসে বলে যে তোমাদেরকে যেতে হবে। তোমাদের বিচার হবে। নীলা বলে যে আমি কিছু করিনি। আমি তো ওকে গুরা থেকে ফেলে দিয়ে আপনাদেরকে আরও সাহায্য করেছি। বিশ্বাস না হলে আপনি রাজকুমার জাফরকে জিজ্ঞেস করেন। সৈন্য বলে, হ্যাঁ, তোমার কিছু হবে না, কিন্তু ওর শাস্তি হবে। তোমায় ছেড়ে দেওয়া হবে। তুমি চিন্তা করো না। সেটা শুনে রাজকুমারী নীলা অনেক খুশি হয়। তারপর দুজনকে বের করে নেওয়া হয়। রাজকুমারের আরিয়ানের মাথায় একটি কালো হুডি পরানো হয়। পরানোর পর তার হাতে একটি জিঞ্জিল দিয়ে বেঁধে তাকে টেনে বের করা হয়। বের করার পর সেই গন্তব্যে নেওয়া হয় যেখানে তার বিচার হবে এবং নীলাকেও নেওয়া হয়। কিন্তু তাকে ছেড়ে দিয়ে একজন সাধারণ মানুষের মতো নেওয়া হয়। সেখানে সব উপস্থিত ছিলেন চারিপাশে অনেক মানুষ, পুরো রাজ্যের পুরো মানুষ চলে এসেছিল। এসে বসে দেখছিল। বিচার দেখার জন্য উপস্থিত ছিল সবাই চারিপাশে এবং অনেক সৈন্যরা, পুরো রাজ্যের পুরো সৈন্যরা চারিদিকে বসেছিল। তারপর চারিপাশে অনেকগুলো ঘন্টা ছিল। সেগুলো সৈন্যরা অনেক জোরে জোরে বাজাচ্ছিল। রাজকুমার আরিয়ান এসব শুনে বলে যে, এইসব ঘন্টা কেন বাজানো হচ্ছে? এটা শুনে তো মনে হচ্ছে কোন রাজার পরাজিত হয়েছে এবং তার মুন্ডু এখন কেটে বক্সের মধ্যে পড়ে জ্বালানো হবে। এটি তো এই সময়েই হয়। তাহলে এখন বাজাচ্ছেন কেন? তারপর সৈন্য বলে, তুমি চুপ করো। চুপ করে আসো। পরে দেখতে পারবে কি হচ্ছে। তারপর নীলা জিজ্ঞাসা করে, এটা তো সত্যিই কি হয়েছে? উন গেলেই দেখতে পারবে তোমরা কি হয়েছে। নেওয়ার পর তারা তাদের গন্তব্যে যাওয়ার পর সেনাপতি আদেশ দিলেন যে ওর হ্যান্ডকাফ খুলে দেওয়া হোক। খুলে দেওয়া হলো। তারপর তার মাথার হুইডি খুলে দেওয়া হোক। খুলে দেওয়া হলো। সে আস্তে আস্তে চোখ খুলে দেখলো যে সামনে তার বাবা এবং বোনের মাথাকেটে একটি টেবিলের উপর রাখা হয়েছে। 27Please respect copyright.PENANAOkc75Ehz6A
27Please respect copyright.PENANA3ZEI5i4XWx
27Please respect copyright.PENANApa9AuxM7SK
27Please respect copyright.PENANAnijxERKB3M
27Please respect copyright.PENANAZg86Zvr3Pe
27Please respect copyright.PENANAunpGHFkedg
27Please respect copyright.PENANAiteHoyx92q
27Please respect copyright.PENANAeHVowuzM39
27Please respect copyright.PENANAoUofwXBae7
27Please respect copyright.PENANAJbUqoXTgQL
27Please respect copyright.PENANAp0f73dMgH8


