26Please respect copyright.PENANA5SB2zpmJiRএক গ্রামে এক রাজা ছিল। তার ছিল দুই ছেলে, ছোট ছেলে আর বড় ছেলে। রাজা সিদ্ধান্ত নিলেন যে তার রাজ্য দুই ভাগে ভাগ করবেন। এক ভাগ নিবে তার বড় ছেলে আর আরেক ভাগ নিবে তার ছোট ছেলে। কিন্তু রাজার মন্ত্রী সেটা পছন্দ হয়নি। সে চায় সেই রাজ্য সে দখল করবে। অবশেষে সেই দিন এলো। রাজা অনেক বড় করে আয়োজন কল্লেন একটি উৎসবের যেখানে তিনি তার দুই ছেলেকে রাজ্য ভাগ করে দেবেন। তিনি দুই ভাগ রাজ্যের দুই নাম দিলেন। এক ভাগের নাম হলো ছায়াপল্লী আর আরেক ভাগের নাম হলো লোহকুট। তিনি দুই বাঘকে দুই ছেলের দায়িত্বে দিলেন। লৌহকুট দিলেন বড় ছেলেকে আর ছায়াপল্লী দিলেন ছোট ছেলেকে। তবে বড় ছেলের একটু পাওয়ার ছিল বেশি, কারণ তাকে যে বাঘ দেওয়া হয়েছে মানে লোহকুট তাকে দেওয়া হয়েছে। লোহ কুটি এই ভাগে রাজ্যের রাজধানী পড়েছে। তাই লোহ কুটটির রাজার একটু বেশি power ছিল। রাজা রাজ্য দুই ভাগ করে দুই ছেলেকে দেবার দুই মাস পর রাজা অনেক অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তখন রাজার দুই ছেলেকে খবর দিলেন যে রাজা অসুস্থ। তখন দুই ছেলেই বেরিয়ে পড়লেন বাবাকে দেখার জন্য। দুইজন রাস্তায় থাকতেই রাজা মারা যান। তারা দুইজন এসে দেখে, তাদের বাবা মারা গেছে। তারা অনেক কাঁদে তার এক বছর পর দুই রাজার ঘরে দুই সন্তান জন্ম নিল। বড় রাজার ঘরে কন্যা সন্তান নিল। এখন বড় রাজার মোট তিন সন্তান, দুই ছেলে আর এক মেয়ে। আর ছোট রাজার ঘরে ছেলের সন্তান জন্ম নিল। এখন ছোট রাজার মোট দুই সন্তান, একটা ছেলে, একটা মেয়ে। ধ সন্তান পাওয়ার আশায় দুই রাজ্যেই অনেক বড় উৎসব হয়। তাদের নামও রাখা হয় বড় রাজার মেয়ের নাম রাখা হলো মেহেরিন, এবং ছোট রাজার ছেলের নাম রাখা হলো আরিয়ান। আর এ হলো আমাদের হিরো।
তারপর থেকে তারা অনেক খুশিতে জীবনযাপন করতে শুরু করলেন। যখন আরিয়ানের বয়স উনিশ হলো, তখন রাজধানী থেকে খবর আসলো যে ছোট রাজার ছেলে আরিয়ানকে সৈন্য প্রশিক্ষণ পাঠশালায় ভর্তি হতে হবে। এখানে আসলে সবাইকে লড়াই এবং অস্ত্র চালানো শিখানো হয়। যাতে রাজ্যে হামলা হলে সবাই রাজ্যকে রক্ষা করতে পারে এটি হলো নিয়ম। এটি সবাইকে করতে হয় না। তবে রাজা এবং মন্ত্রী সেনাপতির ছেলেরা বাধ্যতামূলক। আর যদি সাধারণ মানুষ চায় তাহলে তাদের ছেলেকে ভর্তি করতে পারবে। আসলে এসব লড়াই ঝগড়া করতে আরিয়ান পছন্দ করে না। সে এসব শুনে এখানে ভর্তি হওয়ার জন্য না করে দেয়। তারপর তার বাবা তাকে বুঝিয়ে রাজি করান। তারপর তাকে পাঠানো হয় রাজধানীতে। সে প্রথমবার যায় তার চাচা বড় রাজার আসে তো সে তার চাচাকে সালাম করে। তারপর সব মন্ত্রী, সেনাপতি এবং আরও কিছু রাজ্যের রাজকুমাররা আসেন। সবাই এসে রাজদরবারে হাজির হয়। হঠাৎ শোনা যায় যে রাজকুমারী মেহেরিন আসছেন। তো সবাই দরজার দিকে তাকিয়ে রইল। কিন্তু আরিয়ান তাকায়নি। রাজকুমারী যখন ভিতরে প্রবেশ করল তখন সবাই তার সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। রাজকুমারী খেয়াল করে দেখেন যে সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে কিন্তু আরিয়ান তাকায়নি। তারপর তিনি গিয়ে তার জায়গায় বসলেন। তখন রাজা আরিয়ান কে ডেকে তার কাছে নিয়ে গিয়ে রাজকুমারীর সাথে পরিচয় করান। বলেন যে সে তার ছোট ভাইয়ের ছেলে। তারপর আরিয়ান রাজকুমারীর দিকে তাকিয়ে বলে যে আসসালামু আলাইকুম মাননীয় রাজকুমারী। রাজকুমারী বললেন, ওয়ালাইকুম আসসালাম। তুমি কেমন আছো? আর বাড়ির সবাই কেমন আছে? উত্তরে আরিয়ান বলে, আলহামদুল আলহামদুলিল্লাহ আমি এবং আমার পরিবার ভালো আছি। ধন্যবাদ। তারপর দুয়ার রক্ষী বলে, পার্শ্ব রাজ্য থেকে রাজকুমার জাফর এবং রাজকুমারী নীলা ও তাদের বন্ধুরা এসেছেন। রাজা বলেন, তাদেরকে আসতে দাও। তারপর রাজকুমার সহ সবাই ভিতরে প্রবেশ করলো। আরিয়ান রাজকুমারী নীলাকে দেখে তার প্রেমে পড়ে যায়। 26Please respect copyright.PENANAG5krqpnH8u


